যোগাযোগঃ ০১৩১২১০৩৫৯০
কালান্তর প্রকাশনী : ইসলামী টাওয়ার, ১ম তলা, ১১/১ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০
কালান্তর প্রকাশনী : বশির কমপ্লেক্স, ৫ম তলা, বন্দরবাজার, সিলেট-৩১০০
বই : কারাগারের রাতদিন
লেখক : জায়নাব আল গাজালি
অনুবাদক : শাহেদ হাসান
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৯২
কোয়ালিটি : হার্ডকভার বাঁধাই
বই : রহস্যময় বিপ্লবী
লেখক : আবদুল্লাহ গালিব বারগুসি
অনুবাদক : সাখাওয়াত জয়নগরী
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৪৪
কোয়ালিটি : হার্ডকভার বাঁধাই
কারাগারের রাতদিন—জায়নাব আল গাজালির কারাবাসের বেদনাদায়ক ঘটনাগুলো উঠে এসেছে। কারাগারের স্মৃতিচারণ নিয়ে এটি যুগান্তকারী এক গ্রন্থ। সেই লাখ লাখ মানুষের জন্য গ্রন্থটি অনুপ্রেরণা ও নির্দেশনার আকর, যাঁরা ইসলামকে সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করতে চান, ইসলামকে বানাতে চান মানবজাতির জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধির উৎস।
এই অসহায় অথচ গুণী নারীর ওপর যে ধরনের বর্বরতা ও নিপীড়ন চালানো হয়েছিল, তা সকল কল্পনার বাইরে। শুধু মানুষই তাঁর ওপর নির্যাতন চালায়নি, নির্যাতন চালাতে ব্যবহৃত হয়েছে কুকুর, সাপ ও ইঁদুর। অথচ তিনি কোনো অপরাধী নন; বরং তিনি এমন এক নারী, যিনি অত্যন্ত পুণ্যবান, সদাচারী, ধার্মিক ও বিনয়ী। সভ্য দুনিয়ার মানুষজন কল্পনাও করতে পারবে না যে, তাদেরই সমকালে একটি দেশের সরকারি কর্মকর্তারা সে দেশের নাগরিকদের সঙ্গে এমন ঘৃণ্য আচরণ করছে।
আবদুল্লাহ গালিব আল বারগুসি—হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। যাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হামলায় নিহত হয় ৬৬ জন দখলদার, আহত হয় প্রায় ৫০০ জন। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি ইরসরাইলের গিলবোয়া কারাগারে বন্দি।
কারাগারের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে তিনি একদিন পান তাঁর মেয়ে তালার লেখা একটি চিঠি— সেই চিঠির উত্তরে তিনি কলম ধরেন, যা রূপ নেয় এক বিস্ময়কর গ্রন্থে—রহস্যময় বিপ্লবী এই বই কেবল তাঁর আত্মজীবনের বয়ান নয়; বরং এক মুজাহিদের অন্তর্লোকের দরজা খুলে দেওয়া এক ব্যতিক্রমী দলিল। এতে তিনি বলেছেন তাঁর শৈশব, প্রবাস, প্রযুক্তি–অভিযাত্রা, প্রতিরোধযুদ্ধ, বন্দিত্ব ও এক পিতার হৃদয়ের অনুভূতির কথা।
আবদুল্লাহ বারগুসি আজও শত্রুর শেকলবন্দি। কিন্তু তাঁর কলম, তাঁর চিন্তা এবং তাঁর আত্মত্যাগ আজ স্বাধীনতার আর্তনাদ হয়ে আছড়ে পড়ে দুনিয়ার প্রতিটি নিপীড়িত হৃদয়ে। রহস্যময় বিপ্লবী—এক বাবার ভালোবাসামাখা উত্তর; কিন্তু সেটি হয়ে উঠেছে একটি জাতির সাহস ও সংগ্রামের জ্বলন্ত উপাখ্যান।
জায়নাব আল গাজালি—আধুনিক মিসরের এক প্রতিভাবান নারী, যিনি ইসলামের প্রতি গভীর ইমান, ত্যাগ ও দৃঢ়তার অনন্য দৃষ্টান্ত। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি আল-দাকালিয়া রাজ্যে জন্মগ্রহণকারী এই মহীয়সী নারীর শৈশবেই পিতা তাঁকে সাহাবিয়াদের আদর্শে গড়ে তোলেন। সাহাবিয়া নুসাইবা বিনতু কা’বা রা.-এর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে জায়নাব নারীর ইসলামি ভূমিকা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশন, যা মুসলিম ব্রাদারহুডের লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হাজার হাজার নারী-পুরুষকে তিনি কুরআন-হাদিস শিক্ষা দেন।
জামাল আবদুন নাসিরের শাসনামলে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি ছিলেন অবিচল। কারাগারের অমানবিক পরিবেশেও কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহর জিকিরে তিনি ধৈর্য ধারণ করেন। মুক্তির পরও দাওয়াহ চালিয়ে যান আমৃত্যু। ৮৮ বছর বয়সে ইন্তিকাল করা এই মহীয়সী নারীর জীবন এক দীপ্তিময় ইতিহাস—ইমান, ত্যাগ ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার এক অনন্য দলিল।
আবদুল্লাহ গালিব আল বারগুসি—ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের এক উজ্জ্বল নাম, যাঁর জীবন নিজেই এক বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। ১৯৭২ সালে কুয়েতে জন্ম নেওয়া এই বীরের শিকড় রামাল্লার বাইত রিমা গ্রামে। জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান দক্ষিণ কোরিয়ায়, যেখানে কাজের পাশাপাশি তিনি কোরীয় ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন এবং সাইবার জগতে বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করেন বিস্ফোরক তৈরির তথ্য, যা পরবর্তীতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রযুক্তি-ভিত্তিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখে।
ফিলিস্তিনে ফিরে তিনি যোগ দেন হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেডে এবং দ্বিতীয় ইনতিফাদায় নেতৃত্ব দিয়ে ৬৬ জন দখলদারকে হত্যা ও প্রায় ৫০০ জনকে আহত করেন। ২০০৩ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৪ সালে ইসরাইল তাকে ৬৭টি যাবজ্জীবন ও ৫,২০০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। বর্তমানে তিনি গিলবোয়া কারাগারে বন্দি, যেখানে চলছে অমানবিক নির্যাতন।
তবু কারাগারের অন্ধকারে হারিয়ে যাননি বারগুসি। একদিন মেয়ের লেখা ভালোবাসাময় একটি চিঠি তাঁর হৃদয়ে আলো জাগায়। সেই চিঠির উত্তরে লেখা তাঁর আত্মজীবনী “রহস্যময় বিপ্লবী”—একজন মুজাহিদের অন্তরলোক, প্রযুক্তি-প্রতিরোধ ও পিতৃত্বের এক অনন্য দলিল।
✅ ৭০ গ্রাম পারটেক্স প্রিমিয়াম অফহোয়াইট পেপার।
✅ আমাদের প্রকাশিত সবগুলো বইয়ে এই কোয়ালিটির পেপারই ব্যবহৃত হচ্ছে।
✅ হার্ডকাভার বাধাই।
✅ না, আগে কোনো টাকা দিতে হবে না।
✅ বই হাতে পেয়ে ডেলিভারিম্যানের কাছে টাকা দিবেন।
✅ ঢাকা সিটিতে এক থেকে দুই দিন।
✅ আর ঢাকার বাহিরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
✅ জেলা সদরে একদিনেও ডেলিভারি হয়।
যোগাযোগঃ ০১৩১২১০৩৫৯০
কালান্তর প্রকাশনী : ইসলামী টাওয়ার, ১ম তলা, ১১/১ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০
কালান্তর প্রকাশনী : বশির কমপ্লেক্স, ৫ম তলা, বন্দরবাজার, সিলেট-৩১০০